মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

হুমায়ুন কবিরের লাইবা রুটি মেকার।

 

মাগুরার শালিখা উপজেলার বুনাগাতী গ্রামের হুমায়ন কবির কাঠ দিয়ে উদ্ভাবন করেছেন নতুন ধরনের রুটি মেকার মেশিন। তার দেড় বছর বয়সী মেয়ের নাম অনুসারে মেশিনের নাম দিয়েছেন লাইবা রুটি মেকার, যা দিয়ে ১ মিনিটে ১০ থেকে ১২টি রুটি তৈরি করা যায়। এর ফলে শ্রম ও সময় কম লাগার পাশাপাশি অনেক বেশি রুটি তৈরি হয়। খবর বাসসের। সাধারণভাবে আটা মাখিয়ে বাসাবাড়িতে রুটি বানাতে গৃহিণী ও কর্মজীবীদের অনেক শ্রম ও সময় ব্যয় করতে হয়। কিন্তু কাঠের তৈরি এ রুটি মেকার দিয়ে হাতের সামান্য ছোঁয়াতেই গমের কাঁচা ও সেদ্ধ আটা এবং চালের গুঁড়ার আটা মাখিয়ে দিয়ে সব ধরনের রুটি তৈরি করা যায়।
 
 
বাড়ির গৃহিণীসহ রুটি-ভোজিদের জন্য এটা অত্যন্ত সহায়ক একটি মেশিন। বিশেষ করে কর্মজীবীরা এ মেশিন দিয়ে রুটি তৈরি করে সময় ও শ্রম দুটিই বাঁচাতে পারেন খুব সহজে। আবদুর রাজ্জাকের ৫ ছেলেমেয়ের মধ্যে বড় হুমায়ন কবির ১৯৯৪ সালে স্থানীয় বুনাগাতী কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করেন। এরপর কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে ঢাকার ফ্লোরা নামের একটি কোম্পানিতে আইটি অফিসার হিসেবে চাকরি নেন। ২০১১ সালে তিনি শখের বসে মেশিনটি তৈরি করেন এবং এটি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। ৩ মাসের মাথায় সফলতা পান। এরপর চাকরি ছেড়ে নিজের বাড়ির পাশে কারখানা গড়ে তুলে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে মেশিন উৎপাদন করে তা বাজারজাত করতে শুরু করেন। কাঠের তৈরি লাইবা রুটি মেকার দিয়ে রুটি বানানোর ফলে মহিলাদের কষ্ট লাঘব হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।     দিন দিন তার  তৈরি রুটি মেকারের চাহিদা বাড়ছে।
রুটি মেকার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এরই মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু আর্থিকভাবে সচ্ছল না হওয়ায় উৎপাদন বাড়াতে পারছেন না। কারখানায় গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে তৈরি হচ্ছে কাঠের তৈরি ছোট ছোট রুটি মেকার। বর্তমানে তার কারখানায় মহিলাসহ ১৫ জন শ্রমিক কাজ করে প্রতি মাসে ৬০ থেকে ৭০টি রুটি মেকার তৈরি করছে। বর্তমান রুটির আকার অনুসারে ছোট, মাঝারি ও বড় এই তিন ধরনের মেশিন বানাচ্ছেন। এই তিন ধরনের মেশিন বানাতে প্রতিটিতে তার খরচ হচ্ছে ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা।
 মেশিনের সাইজ অনুসারে বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করেছেন ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা। কারখানার মহিলা শ্রমিক শিরিনা, নাসিমা ও তসলিমা জানান, তারা এখানে কাজ করে দিনে যে আয় করেন তা দিয়ে সংসারে কিছুটা হলেও অভাব মোচন করতে পারছেন। প্রতি মাসে তিনি প্রায় ৫ হাজার মেশিন বানাতে চান। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তিনি সে ইচ্ছা পূরণ করতে পারছেন না। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহজশর্তে ঋণ পেলে কারখানার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি এলাকায় অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। হুমায়ন কবির জানান, ঢাকার শেকেরটেকে অস্থায়ী বিক্রয় কেন্দ্রে রয়েছে।
- See more at: http://www.bengalinews24.com/good-news-everday/2013/10/22/25287#sthash.huKGOC59.dpuf
মাগুরার শালিখা উপজেলার বুনাগাতী গ্রামের হুমায়ন কবির কাঠ দিয়ে উদ্ভাবন করেছেন নতুন ধরনের রুটি মেকার মেশিন। তার দেড় বছর বয়সী মেয়ের নাম অনুসারে মেশিনের নাম দিয়েছেন লাইবা রুটি মেকার, যা দিয়ে ১ মিনিটে ১০ থেকে ১২টি রুটি তৈরি করা যায়। এর ফলে শ্রম ও সময় কম লাগার পাশাপাশি অনেক বেশি রুটি তৈরি হয়। খবর বাসসের। সাধারণভাবে আটা মাখিয়ে বাসাবাড়িতে রুটি বানাতে গৃহিণী ও কর্মজীবীদের অনেক শ্রম ও সময় ব্যয় করতে হয়। কিন্তু কাঠের তৈরি এ রুটি মেকার দিয়ে হাতের সামান্য ছোঁয়াতেই গমের কাঁচা ও সেদ্ধ আটা এবং চালের গুঁড়ার আটা মাখিয়ে দিয়ে সব ধরনের রুটি তৈরি করা যায়।
 
 
বাড়ির গৃহিণীসহ রুটি-ভোজিদের জন্য এটা অত্যন্ত সহায়ক একটি মেশিন। বিশেষ করে কর্মজীবীরা এ মেশিন দিয়ে রুটি তৈরি করে সময় ও শ্রম দুটিই বাঁচাতে পারেন খুব সহজে। আবদুর রাজ্জাকের ৫ ছেলেমেয়ের মধ্যে বড় হুমায়ন কবির ১৯৯৪ সালে স্থানীয় বুনাগাতী কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করেন। এরপর কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে ঢাকার ফ্লোরা নামের একটি কোম্পানিতে আইটি অফিসার হিসেবে চাকরি নেন। ২০১১ সালে তিনি শখের বসে মেশিনটি তৈরি করেন এবং এটি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। ৩ মাসের মাথায় সফলতা পান। এরপর চাকরি ছেড়ে নিজের বাড়ির পাশে কারখানা গড়ে তুলে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে মেশিন উৎপাদন করে তা বাজারজাত করতে শুরু করেন। কাঠের তৈরি লাইবা রুটি মেকার দিয়ে রুটি বানানোর ফলে মহিলাদের কষ্ট লাঘব হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।     দিন দিন তার  তৈরি রুটি মেকারের চাহিদা বাড়ছে।
রুটি মেকার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এরই মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু আর্থিকভাবে সচ্ছল না হওয়ায় উৎপাদন বাড়াতে পারছেন না। কারখানায় গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে তৈরি হচ্ছে কাঠের তৈরি ছোট ছোট রুটি মেকার। বর্তমানে তার কারখানায় মহিলাসহ ১৫ জন শ্রমিক কাজ করে প্রতি মাসে ৬০ থেকে ৭০টি রুটি মেকার তৈরি করছে। বর্তমান রুটির আকার অনুসারে ছোট, মাঝারি ও বড় এই তিন ধরনের মেশিন বানাচ্ছেন। এই তিন ধরনের মেশিন বানাতে প্রতিটিতে তার খরচ হচ্ছে ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা।
 মেশিনের সাইজ অনুসারে বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করেছেন ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা। কারখানার মহিলা শ্রমিক শিরিনা, নাসিমা ও তসলিমা জানান, তারা এখানে কাজ করে দিনে যে আয় করেন তা দিয়ে সংসারে কিছুটা হলেও অভাব মোচন করতে পারছেন। প্রতি মাসে তিনি প্রায় ৫ হাজার মেশিন বানাতে চান। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তিনি সে ইচ্ছা পূরণ করতে পারছেন না। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহজশর্তে ঋণ পেলে কারখানার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি এলাকায় অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। হুমায়ন কবির জানান, ঢাকার শেকেরটেকে অস্থায়ী বিক্রয় কেন্দ্রে রয়েছে।
- See more at: http://www.bengalinews24.com/good-news-everday/2013/10/22/25287#sthash.huKGOC59.dpuf

মাগুরারশালিখা উপজেলার বুনাগাতী গ্রামের হুমায়ন কবির কাঠ দিয়ে উদ্ভাবন করেছেননতুন ধরনের রুটি মেকার মেশিন। লাইবা রুটি মেকার, যা দিয়ে ১ মিনিটে ১০ থেকে ১২টি রুটি তৈরিকরা যায়। এর ফলে শ্রম ও সময় কম লাগার পাশাপাশি অনেক বেশি রুটি তৈরি হয়। খবরবাসসের। সাধারণভাবে আটা মাখিয়ে বাসাবাড়িতে রুটি বানাতে গৃহিণী ওকর্মজীবীদের অনেক শ্রম ও সময় ব্যয় করতে হয়। কিন্তু কাঠের তৈরি এ রুটি মেকারদিয়ে হাতের সামান্য ছোঁয়াতেই গমের কাঁচা ও সেদ্ধ আটা এবং চালের গুঁড়ারআটা মাখিয়ে দিয়ে সব ধরনের রুটি তৈরি করা যায়।

বাড়িরগৃহিণীসহ রুটি-ভোজিদের জন্য এটা অত্যন্ত সহায়ক একটি মেশিন। বিশেষ করেকর্মজীবীরা এ মেশিন দিয়ে রুটি তৈরি করে সময় ও শ্রম দুটিই বাঁচাতে পারেন খুবসহজে। আবদুর রাজ্জাকের ৫ ছেলেমেয়ের মধ্যে বড় হুমায়ন কবির ১৯৯৪ সালেস্থানীয় বুনাগাতী কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করেন। এরপর কম্পিউটার বিষয়েপ্রশিক্ষণ নিয়ে ঢাকার ফ্লোরা নামের একটি কোম্পানিতে আইটি অফিসার হিসেবেচাকরি নেন। ২০১১ সালে তিনি শখের বসে মেশিনটি তৈরি করেন এবং এটি নিয়ে গবেষণাশুরু করেন। ৩ মাসের মাথায় সফলতা পান। এরপর চাকরি ছেড়ে নিজের বাড়ির পাশেকারখানা গড়ে তুলে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে মেশিন উৎপাদন করে তা বাজারজাত করতেশুরু করেন। কাঠের তৈরি লাইবা রুটি মেকার দিয়ে রুটি বানানোর ফলে মহিলাদেরকষ্ট লাঘব হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। দিন দিন তার  তৈরি রুটি মেকারেরচাহিদা বাড়ছে।

রুটিমেকার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এরই মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।কিন্তু আর্থিকভাবে সচ্ছল না হওয়ায় উৎপাদন বাড়াতে পারছেন না। কারখানায় গিয়েদেখা গেছে, সেখানে তৈরি হচ্ছে কাঠের তৈরি ছোট ছোট রুটি মেকার। বর্তমানে তারকারখানায় মহিলাসহ ১৫ জন শ্রমিক কাজ করে প্রতি মাসে ৬০ থেকে ৭০টি রুটিমেকার তৈরি করছে। বর্তমান রুটির আকার অনুসারে ছোট, মাঝারি ও বড় এই তিনধরনের মেশিন বানাচ্ছেন। এই তিন ধরনের মেশিন বানাতে প্রতিটিতে তার খরচ হচ্ছে৩ থেকে ৬ হাজার টাকা।

 মেশিনেরসাইজ অনুসারে বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করেছেন ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৬ হাজার৫০০ টাকা। কারখানার মহিলা শ্রমিক শিরিনা, নাসিমা ও তসলিমা জানান, তারাএখানে কাজ করে দিনে যে আয় করেন তা দিয়ে সংসারে কিছুটা হলেও অভাব মোচন করতেপারছেন। প্রতি মাসে তিনি প্রায় ৫ হাজার মেশিন বানাতে চান। কিন্তু আর্থিকঅসচ্ছলতার কারণে তিনি সে ইচ্ছা পূরণ করতে পারছেন না। সরকারি-বেসরকারিপর্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহজশর্তে ঋণ পেলে কারখানার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশিএলাকায় অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। হুমায়ন কবির জানান, ঢাকার শেকেরটেকে অস্থায়ী বিক্রয় কেন্দ্রে রয়েছে।

মাগুরার শালিখা উপজেলার বুনাগাতী গ্রামের হুমায়ন কবির কাঠ দিয়ে উদ্ভাবন করেছেন নতুন ধরনের রুটি মেকার মেশিন। তার দেড় বছর বয়সী মেয়ের নাম অনুসারে মেশিনের নাম দিয়েছেন লাইবা রুটি মেকার, যা দিয়ে ১ মিনিটে ১০ থেকে ১২টি রুটি তৈরি করা যায়। এর ফলে শ্রম ও সময় কম লাগার পাশাপাশি অনেক বেশি রুটি তৈরি হয়। খবর বাসসের। সাধারণভাবে আটা মাখিয়ে বাসাবাড়িতে রুটি বানাতে গৃহিণী ও কর্মজীবীদের অনেক শ্রম ও সময় ব্যয় করতে হয়। কিন্তু কাঠের তৈরি এ রুটি মেকার দিয়ে হাতের সামান্য ছোঁয়াতেই গমের কাঁচা ও সেদ্ধ আটা এবং চালের গুঁড়ার আটা মাখিয়ে দিয়ে সব ধরনের রুটি তৈরি করা যায়।
 
 
বাড়ির গৃহিণীসহ রুটি-ভোজিদের জন্য এটা অত্যন্ত সহায়ক একটি মেশিন। বিশেষ করে কর্মজীবীরা এ মেশিন দিয়ে রুটি তৈরি করে সময় ও শ্রম দুটিই বাঁচাতে পারেন খুব সহজে। আবদুর রাজ্জাকের ৫ ছেলেমেয়ের মধ্যে বড় হুমায়ন কবির ১৯৯৪ সালে স্থানীয় বুনাগাতী কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করেন। এরপর কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে ঢাকার ফ্লোরা নামের একটি কোম্পানিতে আইটি অফিসার হিসেবে চাকরি নেন। ২০১১ সালে তিনি শখের বসে মেশিনটি তৈরি করেন এবং এটি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। ৩ মাসের মাথায় সফলতা পান। এরপর চাকরি ছেড়ে নিজের বাড়ির পাশে কারখানা গড়ে তুলে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে মেশিন উৎপাদন করে তা বাজারজাত করতে শুরু করেন। কাঠের তৈরি লাইবা রুটি মেকার দিয়ে রুটি বানানোর ফলে মহিলাদের কষ্ট লাঘব হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।     দিন দিন তার  তৈরি রুটি মেকারের চাহিদা বাড়ছে।
রুটি মেকার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এরই মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু আর্থিকভাবে সচ্ছল না হওয়ায় উৎপাদন বাড়াতে পারছেন না। কারখানায় গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে তৈরি হচ্ছে কাঠের তৈরি ছোট ছোট রুটি মেকার। বর্তমানে তার কারখানায় মহিলাসহ ১৫ জন শ্রমিক কাজ করে প্রতি মাসে ৬০ থেকে ৭০টি রুটি মেকার তৈরি করছে। বর্তমান রুটির আকার অনুসারে ছোট, মাঝারি ও বড় এই তিন ধরনের মেশিন বানাচ্ছেন। এই তিন ধরনের মেশিন বানাতে প্রতিটিতে তার খরচ হচ্ছে ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা।
 মেশিনের সাইজ অনুসারে বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করেছেন ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা। কারখানার মহিলা শ্রমিক শিরিনা, নাসিমা ও তসলিমা জানান, তারা এখানে কাজ করে দিনে যে আয় করেন তা দিয়ে সংসারে কিছুটা হলেও অভাব মোচন করতে পারছেন। প্রতি মাসে তিনি প্রায় ৫ হাজার মেশিন বানাতে চান। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তিনি সে ইচ্ছা পূরণ করতে পারছেন না। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহজশর্তে ঋণ পেলে কারখানার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি এলাকায় অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। হুমায়ন কবির জানান, ঢাকার শেকেরটেকে অস্থায়ী বিক্রয় কেন্দ্রে রয়েছে।
- See more at: http://www.bengalinews24.com/good-news-everday/2013/10/22/25287#sthash.huKGOC59.dpuf
মাগুরার শালিখা উপজেলার বুনাগাতী গ্রামের হুমায়ন কবির কাঠ দিয়ে উদ্ভাবন করেছেন নতুন ধরনের রুটি মেকার মেশিন। তার দেড় বছর বয়সী মেয়ের নাম অনুসারে মেশিনের নাম দিয়েছেন লাইবা রুটি মেকার, যা দিয়ে ১ মিনিটে ১০ থেকে ১২টি রুটি তৈরি করা যায়। এর ফলে শ্রম ও সময় কম লাগার পাশাপাশি অনেক বেশি রুটি তৈরি হয়। খবর বাসসের। সাধারণভাবে আটা মাখিয়ে বাসাবাড়িতে রুটি বানাতে গৃহিণী ও কর্মজীবীদের অনেক শ্রম ও সময় ব্যয় করতে হয়। কিন্তু কাঠের তৈরি এ রুটি মেকার দিয়ে হাতের সামান্য ছোঁয়াতেই গমের কাঁচা ও সেদ্ধ আটা এবং চালের গুঁড়ার আটা মাখিয়ে দিয়ে সব ধরনের রুটি তৈরি করা যায়।
 
 
বাড়ির গৃহিণীসহ রুটি-ভোজিদের জন্য এটা অত্যন্ত সহায়ক একটি মেশিন। বিশেষ করে কর্মজীবীরা এ মেশিন দিয়ে রুটি তৈরি করে সময় ও শ্রম দুটিই বাঁচাতে পারেন খুব সহজে। আবদুর রাজ্জাকের ৫ ছেলেমেয়ের মধ্যে বড় হুমায়ন কবির ১৯৯৪ সালে স্থানীয় বুনাগাতী কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করেন। এরপর কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে ঢাকার ফ্লোরা নামের একটি কোম্পানিতে আইটি অফিসার হিসেবে চাকরি নেন। ২০১১ সালে তিনি শখের বসে মেশিনটি তৈরি করেন এবং এটি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। ৩ মাসের মাথায় সফলতা পান। এরপর চাকরি ছেড়ে নিজের বাড়ির পাশে কারখানা গড়ে তুলে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে মেশিন উৎপাদন করে তা বাজারজাত করতে শুরু করেন। কাঠের তৈরি লাইবা রুটি মেকার দিয়ে রুটি বানানোর ফলে মহিলাদের কষ্ট লাঘব হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।     দিন দিন তার  তৈরি রুটি মেকারের চাহিদা বাড়ছে।
রুটি মেকার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এরই মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু আর্থিকভাবে সচ্ছল না হওয়ায় উৎপাদন বাড়াতে পারছেন না। কারখানায় গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে তৈরি হচ্ছে কাঠের তৈরি ছোট ছোট রুটি মেকার। বর্তমানে তার কারখানায় মহিলাসহ ১৫ জন শ্রমিক কাজ করে প্রতি মাসে ৬০ থেকে ৭০টি রুটি মেকার তৈরি করছে। বর্তমান রুটির আকার অনুসারে ছোট, মাঝারি ও বড় এই তিন ধরনের মেশিন বানাচ্ছেন। এই তিন ধরনের মেশিন বানাতে প্রতিটিতে তার খরচ হচ্ছে ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা।
 মেশিনের সাইজ অনুসারে বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করেছেন ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা। কারখানার মহিলা শ্রমিক শিরিনা, নাসিমা ও তসলিমা জানান, তারা এখানে কাজ করে দিনে যে আয় করেন তা দিয়ে সংসারে কিছুটা হলেও অভাব মোচন করতে পারছেন। প্রতি মাসে তিনি প্রায় ৫ হাজার মেশিন বানাতে চান। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তিনি সে ইচ্ছা পূরণ করতে পারছেন না। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহজশর্তে ঋণ পেলে কারখানার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি এলাকায় অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। হুমায়ন কবির জানান, ঢাকার শেকেরটেকে অস্থায়ী বিক্রয় কেন্দ্রে রয়েছে।
- See more at: http://www.bengalinews24.com/good-news-everday/2013/10/22/25287#sthash.huKGOC59.dpuf

  এ যন্ত্র দিয়ে সিদ্ধ আটা ও চালের গুঁড়ার রুটি খুব ভালো হয়। রুটিগুলো কাগজের মতো পাতলা হয়। রুটি তৈরিতে বিদ্যুৎ খরচ নেই। যন্ত্রটি তৈরিতে কাঠ ও দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহার হয়েছে

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter